tan30-এ টাকা জমা দেওয়া বা তোলা – দুটোই এত সহজ যে মনে হবে আপনার পরিচিত কোনো মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করছেন। কোনো লুকানো চার্জ নেই, দীর্ঘ অপেক্ষা নেই।
আপনার পছন্দের মাধ্যমে যেকোনো সময় লেনদেন করুন
প্রতিটি পদ্ধতিতে ডিপোজিট ও উইথড্রয়ালের বিস্তারিত তথ্য
| পেমেন্ট পদ্ধতি | ডিপোজিট সময় | উইথড্রয়াল সময় | ডিপোজিট সীমা | উইথড্রয়াল সীমা | চার্জ |
|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | তাৎক্ষণিক | ১–৩ ঘণ্টা | ৳২০০ – ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ – ৳৩০,০০০ | বিনামূল্যে |
| নগদ | তাৎক্ষণিক | ১–৩ ঘণ্টা | ৳২০০ – ৳৫০,০০০ | ৳৫০০ – ৳৩০,০০০ | বিনামূল্যে |
| রকেট | তাৎক্ষণিক | ২– 6 ঘণ্টা | ৳৩০০ – ৳৪০,০০০ | ৳৫০০ – ৳২৫,০০০ | বিনামূল্যে |
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ১–২ ঘণ্টা | ১২–২৪ ঘণ্টা | ৳১,০০০ – ৳৫,০০,০০০ | ৳১,০০০ – ৳২,০০,০০০ | বিনামূল্যে |
tan30-এ আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। টু-ফ্যাক্টর চালু থাকলে OTP দিন।
ড্যাশবোর্ডের উপরের দিকে সবুজ "ডিপোজিট" বোতামটি দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক ট্রান্সফার – আপনার পছন্দের মাধ্যম সিলেক্ট করুন।
কত টাকা জমা দিতে চান সেটা লিখুন। স্ক্রিনে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা দেখাবে।
আপনার মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপে পিন দিয়ে কনফার্ম করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ব্যালেন্স আপডেট হবে।
অ্যাকাউন্টে লগইন করার পর ড্যাশবোর্ড থেকে "উইথড্রয়াল" অপশনে যান।
যে মাধ্যমে টাকা নিতে চান সেটা বেছে নিন এবং আপনার মোবাইল নম্বর বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন।
কত টাকা উইথড্র করতে চান তা লিখুন। বর্তমান ব্যালেন্স ও ওয়াগারিং রিকোয়ারমেন্ট স্ক্রিনে দেখাবে।
সব তথ্য যাচাই করে "উইথড্রয়াল করুন" বাটনে ক্লিক করুন। একটি কনফার্মেশন SMS পাবেন।
বিকাশ বা নগদে সাধারণত ১–৩ ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছে যায়। ব্যাংক ট্রান্সফারে একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে টাকা জমা ও তোলার বিষয়টা নিয়ে অনেকেই একটু দ্বিধায় থাকেন। পুরো প্রক্রিয়াটা কতটা সহজ, কতটা নিরাপদ – এই প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরপাক খায়। tan30 শুরু থেকেই চেষ্টা করেছে লেনদেনের অভিজ্ঞতাটা যতটা সম্ভব স্বাভাবিক ও ঝামেলামুক্ত করতে।
বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ এখন বিকাশ বা নগদ ব্যবহার করতে অভ্যস্ত। মুদির দোকানে কেনাকাটা থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া – সব কিছুতেই মোবাইল ব্যাংকিং। tan30-এও ঠিক সেভাবেই কাজ করে। আলাদা কোনো ওয়ালেট খোলার দরকার নেই, ভিনদেশি পেমেন্ট পদ্ধতির ঝামেলা নেই।
প্রথমবার ডিপোজিট করলে tan30 স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়েলকাম বোনাস যোগ করে। বোনাসের পরিমাণ ও শর্তাবলী প্রোমোশন পেজে দেখুন।
না, tan30 ডিপোজিটে কোনো প্রসেসিং ফি নেয় না। তবে আপনার মোবাইল ব্যাংকিং প্রোভাইডার যদি ট্রানজেকশন চার্জ করে, সেটা তাদের নিজস্ব নীতি অনুযায়ী। সাধারণত বিকাশ বা নগদে অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করলে চার্জ থাকে না বা একেবারে নামমাত্র।
উইথড্রয়ালেও কোনো ফি লাগে না। জিতেছেন মানে পুরোটাই আপনার। tan30 কোনো গোপন কাটছাঁট করে না। অনেক প্ল্যাটফর্মে দেখা যায় উইথড্রয়ালে ২%–৫% চার্জ কেটে নেওয়া হয়, tan30-এ এই ব্যাপারটা নেই।
বেশিরভাগ সময় উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া দ্রুতই হয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। প্রথমত, বড় পরিমাণের উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট সাধারণত ম্যানুয়ালি যাচাই করা হয় – এটা আপনার নিরাপত্তার জন্যই। দ্বিতীয়ত, নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথমবার উইথড্র করলে KYC ভেরিফিকেশন লাগতে পারে।
KYC মানে হলো আপনার পরিচয় নিশ্চিত করা। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি আপলোড করলেই হয়। একবার ভেরিফাই হয়ে গেলে পরবর্তী সব উইথড্রয়াল স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেস হয়।
উইথড্রয়াল করার সময় খেয়াল রাখুন যে আপনার বোনাস ওয়াগারিং রিকোয়ারমেন্ট পূরণ হয়েছে কিনা। পূরণ না হলে বোনাস অংশটুকু উইথড্র করা যাবে না। তবে আসল জমানো টাকা যেকোনো সময় তোলা যাবে।
tan30-এ প্রতিটি লেনদেনের সম্পূর্ণ রেকর্ড রাখা হয়। আপনার অ্যাকাউন্টের "লেনদেন ইতিহাস" সেকশনে গেলে তারিখ, সময়, পরিমাণ ও স্ট্যাটাস সহ সব তথ্য দেখা যাবে। ফিল্টার করে নির্দিষ্ট তারিখের বা নির্দিষ্ট ধরনের লেনদেন আলাদা করেও দেখা যায়।
কোনো লেনদেনে সমস্যা মনে হলে সাথে সাথে কাস্টমার সাপোর্টে জানান। ট্রানজেকশন আইডি ও সময় উল্লেখ করলে দ্রুত সমাধান পাবেন। tan30-এর সাপোর্ট টিম ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় থাকে।
tan30-এ প্রতিটি আর্থিক লেনদেন SSL এনক্রিপশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এর মানে হলো আপনার পেমেন্ট তথ্য ট্রান্সমিশনের সময় কেউ চুরি করতে পারবে না। এছাড়া প্রতিটি উইথড্রয়াল রিকোয়েস্টে OTP ভেরিফিকেশন থাকে, তাই আপনার অজান্তে কেউ টাকা তুলতে পারবে না।
যদি কখনো সন্দেহ হয় যে অ্যাকাউন্টে কেউ অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছে, সাথে সাথে পাসওয়ার্ড বদলান এবং সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। tan30 সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে লক করে তদন্ত করে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেয়।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের অংশ হিসেবে tan30 আপনাকে নিজে নিজে দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুযোগ দেয়। একবার লিমিট সেট করলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটা মেনে চলে। লিমিট কমানো তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়, কিন্তু বাড়ানো হলে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষার ব্যবস্থা আছে – এটা সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে রাখা হয়েছে।
আপনার অর্থের নিরাপত্তায় আমরা যা করি
সব লেনদেন ২৫৬-বিট SSL দিয়ে এনক্রিপ্ট করা। তৃতীয় পক্ষ তথ্য দেখতে পারে না।
প্রতিটি উইথড্রয়ালে মোবাইলে OTP পাঠানো হয়। অনুমতি ছাড়া টাকা যায় না।
আপনার পেমেন্ট তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
প্রতিটি লেনদেনের স্ট্যাটাস রিয়েল-টাইমে দেখুন। কোনো ধাঁধার মধ্যে থাকতে হবে না।
পরিচয় নিশ্চিত করে জালিয়াতি প্রতিরোধ করা হয়। আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকে।
লেনদেনে কোনো সমস্যা হলে যেকোনো সময় লাইভ চ্যাটে সমাধান পাবেন।
আর্থিক লেনদেন নিয়ে সবচেয়ে বেশি আসা প্রশ্নগুলো